ইতালি ভিসা আবেদন – ২০২২

Italy Visa Application –
সিজনাল ভিসার আবেদন শুরু: হবে ২৭শে জানুয়ারি ২০২২ইং তারিখ থেকে ২৭শে মার্চ ২০২২ইং তারিখ পর্যন্ত। (২মাস)
ননসিজনাল ভিসার আবেদন শুরু হবে ১লা ফেব্রুয়ারী ২০২২ইং তারিখ থেকে ২৭শে মার্চ ২০২২ইং তারিখ পর্যন্ত। (১মাস ২৭দিন)
ইতালি ভিসা ২০২২ আবেদন কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়?
ইতালি ভিসার আবেদন আপনারা দুইটি পদ্ধতিতে করতে পারবেন।
প্রথম পদ্ধতিঃ কোন আত্মীয়-স্বজন ইতালিতে থাকলে অথবা পরিচিত বা কাছের কেউ ইতালি থাকলে তাদের মাধ্যমে ইতালি সরকারের কাছে আপনি আবেদন করতে পারবেন।
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সাথে কাজের চুক্তি করে আবেদন করতে পারেন। মনে রাখবেন, আবেদন করা মানে ইতালিতে চলে যাওয়া না। আবেদন করার পর আপনি নির্বাচিত হলে বাকি কাজগুলো করে নিতে হবে‌। মনে রাখবেন, এই প্রক্রিয়ায় ইতালি যাওয়া সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। অযথা, ভুল জায়গায় হয়রানির শিকার হবেন না।
Italy Visa – ইতালি ভিসা আবেদন করার জন্য কি কি লাগবে?
ইতালি ভিসা আবেদন করার জন্য কিছু জিনিসের প্রয়োজন হবে। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হলোঃ
পুরণকৃত ও আবেদনকারী দ্বারা স্বাক্ষরিত ভিসা আবেদন ফরম লাগবে।
নির্দেশিত ২ কপি ছবি লাগবে। ছবি ভিএফএস ফটো বুথ থেকেও তুলে নিতে হবে।
বৈধ পাসপোর্ট লাগবে।
প্রাসঙ্গিক চেকলিষ্ট অনুসারে সকল সমর্থক কাগজপত্র লাগবে।
ভিসা আবেদন ফিস, ভিএফএস এবং ব্যাঙ্ক এর বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ লাগবে।
ইতালি ভিসা আবেদনের ফি কত?
ইতালি ভিসা আবেদন ফি খুবই সামান্য। ভিসা অনুযায়ী আবেদন ফি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে আপনি যদি কোন লয়্যার নিযুক্ত করেন তাহলে আপনাকে আলাদা ফি দিতে হবে। লয়্যার বাবদ আপনাকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মতো খরচ করতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে Italy – ইতালি যেতে খরচ কত হবে?
এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। এটা বোঝার জন্য লেখাটি ভালো করে পড়বেন। আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, এখানে দুই ধরনের ভিসা রয়েছে। একটা হচ্ছে সিজনাল ভিসা, আরেকটা হচ্ছে নন সিজনাল ভিসা। যারা নন সিজনাল ভিসায় যাবে তারা ইতালিতে পার্মানেন্ট কাজ করতে পারবেন। তবে নন সিজনাল ভিসায় যারা যাবেন তাদের অবশ্যই অতিরিক্ত কিছু যোগ্যতা লাগবে।
আর যারা সিজনাল ভিসায় যাবে তারা সেখানে ৬ মাস পর্যন্ত থাকতে পারবেন। এখন আপনি এই সময়ে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং কত টাকা দিয়ে আপনার যাওয়া উচিত হবে এটা আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আপনি যে ব্যক্তির মাধ্যমে যাবেন অথবা যেই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাবেন তারা আপনার কাছ থেকে খরচ বাবদ কত টাকা নিবে এটা আসলে একান্ত তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।
মনে রাখবেন, কিছু মানুষ আপনাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে টাকাপয়সা নেয়ার জন্য ওৎ পেতে রয়েছে। তাদের খপ্পরে পরে টাকা পয়সা সব উজার করে দিবেন না। অবশ্যই বুঝে শুনে জেনে লেনদেন করবেন। আপনার সব থেকে ভালো হবে, যদি আপনার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা কাছের মানুষ ইতালি থাকে তাদের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করানো।
Visa Application – ভিসা আবেদন জমা দেয়ার জন্য এপয়েন্টমেণ্ট এর দরকার আছে কি?
ভিসা আবেদন জমা দেয়ার জন্য এপয়েন্টমেণ্ট এর জন্য এপয়েন্টমেণ্ট এর দরকার নাই। কোন প্রকার আবেদন করার জন্যই এপয়েনমেণ্ট এর দরকার নাই।
Visa Application – ভিসা আবেদন কেন্দ্রে অফিসিয়াল পাসপোর্ট জমা দেওয়া যাবে?
ব্যক্তিগত ভ্রমণ বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী হওয়ার কারণে যদি আবেদনকারী বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নোট ভারবাল না পান সেক্ষেত্রে ইতালি ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা করতে পারবেন। এই ধরনের ক্ষেত্রে, আবেদনকারী নিজ নিজ ভিসার আবেদনপত্রের প্রয়োজনীয় তালিকা ফলো করা উচিত।
Italy Schengen Visa ক্ষেত্রে আমার স্বাক্ষাতকার কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
যদি আপনার স্বাক্ষাতকার প্রয়োজন হয়, তবে তা আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। স্বাক্ষাতকার হলে, আপনি ইতালির এম্বাসি, প্লট নং-২/৩, রোড নং ৭৪/৭৯, গুলশান – ২, ঢাকা-১২১২, ফোন: +৮৮-০২ ৯৮৪২৭৮১/২/৩, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৮৮২২৫৭৮, ওয়েবসাইট: www.ambdhaka.esteri.it. ইতালি ভিসা এবং লিগালাইজেশন আবেদন কেন্দ্রদ্বারা প্রদত্ত প্রাপ্তি রশিদে স্বাক্ষাতকারের সময় ও তারিখ উল্লেখ থাকবে । অথবা আপনাকে মোবাইলে জানানো হবে।
Visa Interview – স্বাক্ষাতকারের জন্য আমার কি নিয়ে আসতে হবে?
স্বাক্ষাতকারপত্র অথবা. ইতালি ভিসা এবং লিগালাইজেশন আবেদন কেন্দ্র দ্বারা প্রদত্ত প্রাপ্তি রশিদ এবং ইতালি এম্বাসি দ্বারা অনুরোধকৃত যে কোন কাগজপত্র নিয়ে আসতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.