টিকা নেয়ার পর মায়ের বুকের দুধে অ্যান্ডিবডি পাওয়া যাওয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক্ষেত্রে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় করোনার টিকার কার্যকারিতা বা নিরাপত্তার পরিপূর্ণ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করা হয়নি। এ খবর ফোরবস ম্যাগাজিন অনলাইনের।
বলা হচ্ছে দুই শ্রেণির নারীদের টিকা নেয়ার ফলে নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রাথমিকভাবে যে তথ্য মিলছে তা আশাব্যাঞ্জক। প্রথমদিকে রক্তপ্রবাহের মধ্যে যে স্পাইক প্রোটিন তৈরি হয় তা প্লাসেন্টা-বাইন্ডিং প্রোটিনের ওপর প্রভাব ফেলবে। এর ফলে নারীর গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দেবে অথবা উর্বরা শক্তি নষ্ট হবে বলে মনে করা হয়। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে সেই ধারণাকে ভুল বলে মনে করা হচ্ছে। যেসব অন্তঃসত্ত্বা স্বাস্থ্যকর্মী বা নার্স এই টিকা নিয়েছিলেন তারা এই টিকা নেয়ার সুপারিশ করছেন।
ফোরবস জানায়, মায়ের গর্ভাশয়ে যখন ভ্রুণ অব্যাহতভাবে বড় হতে থাকে, তখন বিশেষ বিশেষ উপাদান তার ওপর ভিন্ন রকম প্রভাব ফেলতে পারে। এই পর্যায়ে ভ্রুণের কাছে প্লাসেন্টা দিয়ে রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে যেসব উপাদান পৌঁছে যায় তার সঙ্গে বুকের দুধ থেকে বাচ্চার পরিপাকতন্ত্রে ওই উপাদানের প্রভাব অনেকটা ভিন্ন হতে পারে। এ জন্য ফেজ ২/৩ পর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপর টিকার পরীক্ষা করা হচ্ছে ৭ থেকে ১০ মাসের অন্তঃসত্ত্বাদের ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.