বিজয়ের এতো বছরেও ভাগ্য ফেরেনি তিস্তা পাড়ের মানুষের

৫০ বছরেও ভাগ্য ফেরেনি রংপুরের তিস্তা পাড়ের মানুষের। প্রতিবছর ভাঙনে ঘর-বাড়ি হারিয়ে দুর্ভোগের শিকার হয় লাখো পরিবার। তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা বলছেন, খনন ও সংস্কারের মাধ্যমে সঠিকভাবে নদী শাসন করা গেলে দুর্ভোগ কমবে।
রংপুরের গঙ্গাচড়ার পশ্চিম ইছলি গ্রামের মিঠুল মিয়া। সামান্য রোজগারের আশায় দিনমজুরি করেন অন্য জেলায়। তার পাঠানো সামান্য টাকায় দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন কাটে স্ত্রী আঞ্জুমানের। শুধু মিঠুল মিয়া নয়, একই অবস্থা এই এলাকার ৯৫ ভাগ মানুষের। বিজয়ের ৫০ বছরেও দুর্ভোগ কাটেনি তিস্তা পাড়ের মানুষের।
স্থানীয়রা বলছেন, নদী ভাঙন তো আছেই; তার সাথে প্রতি বছরই ভাঙে গ্রাম রক্ষা বাঁধ ও সংযোগ সড়ক। বিলীন হয় মাথা গোঁজার ঠাঁই। তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের নেতারা বলছেন, তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার পাশাপাশি দখল-দূষণে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছর বন্যার দুর্ভোগে পড়েন লাখো মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, তিস্তা নদী সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধনে সরকারের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে। তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের তথ্য মতে, রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তা পাড়ে বসবাস করেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.