হাইকোর্টেও জামিন পাননি ডা. সাবরিনা

image_pdfimage_print

নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাভাইরাসে ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগের মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের কথিত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

জামিন সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দানকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ছিলেন। করোনার ভুয়া রিপোর্টের অভিযোগে মামলার পর সাবরিনাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের দায়িত্ব পায় ওভাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার।

গত ৫ আগস্ট ভুয়া করোনার রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিএমপি)। মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

অভিযোগ উঠে, রোগীদের পরীক্ষা না করে ভুয়া সনদ দেয় জেকেজি। ২৩ জুন আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গত ১২ জুলাই সাবরিনা গ্রেপ্তার হন। সাবরিনা-আরিফুল ছাড়াও এ মামলায় আরও ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। গত ২০ আগস্ট বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

গত ১৩ এপ্রিল জেকেজি হেলথ কেয়ার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমতি নিয়ে করোনা শনাক্তের নমুনা সংগ্রহের জন্য বুথ স্থাপনের কাজ শুরু করে। শুরুতে তারা ঢাকায় ৪৬টি এবং ঢাকার বাইরে ৩২০টি বুথ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলে। কিন্তু ঢাকায় পাঁচটি এবং নারায়ণগঞ্জে দুটি স্থানে নমুনা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করে তারা।

উল্লেখ্য, করোনা শুরুর পর থেকে টাকার বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করা এবং পরীক্ষা ছাড়াই নমুনার ফল দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানার পুলিশ গত ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ জুলাই সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হয়।
হাইকোর্টেও জামিন পাননি ডা. সাবরিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসে ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগের মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের কথিত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

জামিন সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দানকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ছিলেন। করোনার ভুয়া রিপোর্টের অভিযোগে মামলার পর সাবরিনাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের দায়িত্ব পায় ওভাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার।

গত ৫ আগস্ট ভুয়া করোনার রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিএমপি)। মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

অভিযোগ উঠে, রোগীদের পরীক্ষা না করে ভুয়া সনদ দেয় জেকেজি। ২৩ জুন আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গত ১২ জুলাই সাবরিনা গ্রেপ্তার হন। সাবরিনা-আরিফুল ছাড়াও এ মামলায় আরও ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। গত ২০ আগস্ট বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।

গত ১৩ এপ্রিল জেকেজি হেলথ কেয়ার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমতি নিয়ে করোনা শনাক্তের নমুনা সংগ্রহের জন্য বুথ স্থাপনের কাজ শুরু করে। শুরুতে তারা ঢাকায় ৪৬টি এবং ঢাকার বাইরে ৩২০টি বুথ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলে। কিন্তু ঢাকায় পাঁচটি এবং নারায়ণগঞ্জে দুটি স্থানে নমুনা সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করে তারা।

উল্লেখ্য, করোনা শুরুর পর থেকে টাকার বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ করা এবং পরীক্ষা ছাড়াই নমুনার ফল দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানার পুলিশ গত ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ জুলাই সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *