সু চির মুক্তি দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া

image_pdfimage_print

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে বানচাল করে বার্মিজ মিলিটারি যে অং সান সুচি সহ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাতে অ্যামেরিকা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। অ্যামেরিকা সাম্প্রতিক নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যে কোনোরকম চেষ্টার বিরোধী। যদি সবকিছু আবার আগের অবস্থায় ফিরে না যায়, তাহলে অ্যামেরিকা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রীর আবেদন, সু চি সহ অন্য নেতাদের যেন অবিলম্বে মুক্তি দেয়া হয়। সেনাবাহনী যেন আইনের শাসন মেনে চলে।’তীব্র প্রতিক্রিয়া হবে’। মিয়ানমারকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের মন্ত্রী পরিষদের মুখ্য সচিব কাটসুনোবু কাটো। মিয়ানমারের শীর্ষ নেতাদের আটকের পর দেশটির সেনাবাহিনী এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা দেওয়ার জেরে জাপান এ আহ্বান জানায়।
অং সান সু চি ১৯৮৮ সালে সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অন্যতম ভূমিকা নেন। তারপরই তাঁকে গৃহবন্দি করা হয়। ২০১০ সালে তিনি মুক্তি পান। ২০১১ সালে এনএলডি রাজনৈতিক দল হিসাবে নথিভুক্ত হয় ও উপনির্বাচনে অংশ নেয়। তারপর আবার সেনা অভ্যুত্থান হলো।
সিঙ্গাপুরের সাউথইস্ট এশিয়ান স্টাডিজের মিয়ানমার প্রোগ্রামের অ্যাসোসিয়েট ফেলো রোমেইন কেইলড ডিডাব্লিউকে বলেছেন, গণতন্ত্রে ফেরার দশ বছরের মধ্যে মিয়ানমার আবার ধাক্কা খেল। তাঁর মতে, এর প্রতিক্রিয়া বিশাল হবে। ১৯৮৮ সালে সেনা ছাত্রবিক্ষোভ দমানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই সময়ের সঙ্গে এই সময়ের অনেক তফাত। এখন শক্তিশালী সামাজিক মাধ্যম আছে, অ্যামেরিকায় নতুন প্রশাসন এসেছে, চীনের পরিকাঠামো তৈরির উচ্চাকাঙ্খা আছে। তাই সেনার এই প্রয়াসের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াও তীব্র হতে বাধ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *