রাজবাড়ীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে রঙ করা মুরগীর বাচ্চা

image_pdfimage_print

জেলার বালিয়াকান্দির বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে নাদুস-নুদুস ছোট ছোট বাহারি রঙের এই মুরগীর বাচ্চা।
মূলত লেয়ার মুরগীর সাদা বাচ্চাগুলো প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা আকর্ষণীয় করে তোলে। মোট ৬ টি রঙ ব্যবহার করা হয়ে বলে জানান নরসিংদি থেকে আসা মুরগীবিক্রেতা পারভেজ (২৫)।
বাচ্চাগুলোর মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কম বলে লাভও হয় অধিক বলেও জানার তিনি। স্বাভাবিক মুরগীর বাচ্চার মতোই এদের খাবার।
প্রতিটি বাচ্চার দাম নেওয়া হচ্ছে ২৫- ৩০ টাকা। বাচ্চাগুলোর গায়ের রঙ সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত থাকে। বাচ্চাগুলো অধিক বিক্রির আশায় ক্রেতাদেরকে আকৃষ্ট করার লক্ষে মুরগী বিক্রেতা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। বাচ্চাগুলো শিশুদের খুবই পছন্দের।
ব্যতিক্রম এই বাহারী রঙয়ের বাচ্চা যে দেখছেন সেই কিনছেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০০-৪০০টি মুরগীর বাচ্চা বিক্রি হয় বলেও জানার ঐ বিক্রেতা।
সোমরার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির চৌরাস্তার জিরো পয়েন্টে দেখা যায়, রঙিন মুরগীর প্রায় ৩ শতাধাক বাচ্চা নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতা। আর ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য মুখে বিভিন্ন কথা বলছেন। তাকে ঘিরে রয়েছেন অনেক কৌতুহলী মানুষ। বিক্রেতা মুরগীর বাচ্চাগুলো কখনো তার প্যান্টের পকেটে আবার কখনো বা গলার গামছা দিয়ে বেধে রাখছেন। এগুলো দেখে অনেক ক্রেতা আকৃষ্ট হয়ে বাচ্চা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই সকল বাচ্চাগুলো বোম্বের ম্যাজিক মুরগী বলছেন বিক্রেতারা।
বালিয়াকান্দি সদরের করপাড়ার বাসিন্দা মুরগীক্রেতা শিখা রানী সরকার বলেন, এ রকম মুরগীর বাচ্চা আগে কখনো দেখিনি। সত্যি বড়ই অদ্ভুদ লাগছে বাচ্চাগুলোকে। অনেক নাদুস-নুদুস। যদিও রঙ করা তারপরেও অনেক সুন্দর। আমার ছোট বাবুটার জন্য ৬ টি রঙয়ের ৬ টি বাচ্চা কিনলাম। এগুলো পেলে ও অনেক খুশি হবে।
মুরগী বিক্রেতা পারভেজ বিষয়টি নিয়ে জানান, এই মুরগীর বাচ্চাগুলো খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমরা ঢাকা থেকে এগুলো কিনে এনে তা বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছি। লাভও ভালো হচ্ছে। এগুলো সহজেই মরেনা। যার কারনে ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম। প্রতিদিন গড়ে ৩০০-৪০০ টি পর্যন্ত বাচ্চা বিক্রি হয় বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *