রাজধানীর বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়, দাম বেড়েছে চাল ও মুরগির

image_pdfimage_print

তবে দাম কমেছে ডিম, পেঁয়াজ ও সবজির। স্মরণকালের মাত্রাতিক্ত বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম। গৃহিনী ফরিদা ইয়াসমিন কৃষি বাজারে কথা হলে তিনি জানালেন, তিনি ৫ লিটার ক্রয় করেছে ৭ শত টাকায়,খুচরা বিক্রেতা রাব্বিক আলম জানালেন প্রতি লিটার বিক্রি করছেন ১৪০টাকায়।
এদিকে কারওয়ান বাজারের অয়েল অ্যান্ড ঘি স্টোরের মালিক হেলাল উদ্দীন বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় সারাবিশ্বে প্রায় সব কিছুই লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যায়। তিনি বলেন, একারণেই খুচরা বাজারেও তেলের দাম বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম না কমায় খুচরা বাজারেও দাম কমছে না। আগামীতে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে তেল, আলু এবং গরু ও খাসির মাংসসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কৃর্ষি বাজার, মোহম্মদপুর টাউনহল বাজার, কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১০ টাকায়, শালগম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়, গাজর ৩০ টাকায়, শিম ২০ টাকায়, বেগুন ৩০ টাকায়, করলা ৪০-৫০ টাকায়, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, পাকা টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকায়, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। প্রতি পিস লাউ আকার ভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়, ফুলকপি ১৫ থেকে ২০ টাকায়, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায় ব্রুকলি ১০ টাকায়।
মিষ্টি কুমড়ার কেজি ২০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া আদা প্রতি কেজি ৮০ টাকায়, রসুনের কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়, মিনিকেট ৬৫ থেকে ৬৬ টাকায়, নাজির ৬৫-৬৮ টাকায়, পোলাওয়ের চাল ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা ভোজ্যতেল লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

ডিমের দাম ৫ টাকা কমে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। দাম বেড়ে সোনালী মুরগি (কক) ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় ও ব্রয়লার ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস এবং মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়, গরুর মাংস ৫৫০ টাকায়, মহিষ ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকার ভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকার ভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়, ইলিশ প্রতি কেজি (আকার ভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১০০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *