মেসি-পিকের গোলে জিতল বার্সা

image_pdfimage_print

স্পোর্টস ডেস্ক
বার্সেলোনার সঙ্গে ডিনামো কিয়েভের শক্তির তুলনা হয় না। ম্যাচটাও বার্সার ঘরের মাঠে। তারওপর ম্যাচের আগে ৫ জন খেলোয়াড় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সেরা স্কোয়াড নিয়েই ন্যু ক্যাম্পে আসতে পারেনি কিয়েভ। অনুমিতভাবে বার্সাই কিয়েভের ওপর দাপট দেখিয়েছে পুরো ম্যাচে। কিন্তু ম্যাচটা জমিয়ে তুলেছিলেন কিয়েভের ১৮ বছর বয়সী গোলরক্ষক রুসলান নেসচেরেত। দুই অর্ধে লিওনেল মেসি আর জেরার্ড পিকের দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর কিয়েভ এক গোল শোধ করে তাই ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল। নড়বড়ে রক্ষণ নিয়েও শেষ পর্যন্ত অবশ্য বার্সা হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে। দলে ফেরা গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগানেরও কৃতিত্ব আছে তাতে।

বৃহস্পতিবার রাতে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে রোনাল্ড কুমানের দল।

এদিন লিওনেল মেসি পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নেয়ার পর ব্যবধান বাড়ান জেরার্দ পিকে। শেষ সময়ে গোল করে ম্যাচ জমিয়ে তুললেও হার এড়াতে পারেনি ইউক্রেনের দলটি।

ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচ শুরুর দশ মিনিটের ভেতর ৩-০ গোলের লিড নিতে পারত বার্সা। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে মেসি আরও একবার পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। আর পেদ্রির শট গোলবার হয়ে গোললাইন থেকে ফেরত আসার পর আন্টোয়ান গ্রিযমান গোলের সামনে থেকে অদ্ভুত এক মিস করে হতাশা বাড়ান- তিন গোলের বদলে শুরুর দশ মিনিটে তাই বার্সা পায় মাত্র এক গোল। পেনাল্টিটাও মেসিই আদায় করেছিলেন। ১৮ বছর বয়সী নেসচেরেত পুরো ম্যাচে মেসির কাছে হেরেছেন ওই একবারই। গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়েই ৪.৫৩ সেকেন্ডে মৌসুমের চতুর্থ পেনাল্টি থেকে চতুর্থ গোল পেয়ে যান মেসি। এতো দ্রুততম সময়ে এর আগে ক্যারিয়ারে কখনই পেনাল্টি থেকে গোল করেননি আর্জেন্টাইন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি দারুণ সুযোগ পায় দিনামো। ৪৬তম মিনিটে বেরিয়ে এসে কর্নারের বিনিময়ে কোনোমতে স্বাগতিকদের বাঁচান টের স্টেগেন। কর্নার থেকে বল জালে পাঠিয়ে ছিল অতিথিরা। কিন্তু বল বাঁক খেয়ে লাইনের বাইরে থেকে ভেতরে ঢোকায় গোল দেননি রেফারি।

৬৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পিকে। আনসু ফাতির ক্রসে নিখুঁত হেডে জাল খুঁজে নেন এই ডিফেন্ডার।

কিয়েভ ম্যাচে ফেরায় শেষ ১৫ মিনিট তাই জমে উঠেছিল পুরোদমে। জয় নিশ্চিত করতে বার্সার প্রয়োজন ছিলে একটি গোল। বদলি উসমান ডেম্বেলে সেই কাজটা প্রায় করেও ফেলেছিলেন বক্সের বাইরে থেকে গোলে শট করে। কিন্তু এবারও টপ কর্নারের পথে দারুণ গতিতে ছুটতে থাকা বল আঙুলের ছোঁয়ায় ঠেকিয়ে দিয়ে বার্সাকে হতাশ করেন নেসচেরেত। শেষ পর্যন্ত বার্সাকে তাই ঘাম ঝরিয়েই জিততে হয়েছে ঘরের মাঠে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *