ভারতে বিতর্কিত ইস্যু প্রাধান্য পেলেও নিভৃতে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে অর্থনীতি

image_pdfimage_print

দেশটির অর্থনীতির দৈন্যদশা সে অর্থে আলোচনায় আসছে না। ব্যাংকখাতে মন্দ ঋণ, তারল্যসঙ্কট, খেলাপি ঋণের বাড়ন্ত দশা, জিডিপি প্রবৃদ্ধির পতন নিয়ে তবুও কিছুটা আলোচনা হয়। কিন্তু দেশটির সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানি কতটা লোকসানে রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়না বললেই চলে।
ভারতের বর্তমানে এক্সার্টনাল ডেবট বা বিদেশি ঋণের িেপমাণ ৫৫৭ বিলিয়ন ডলার। যা সারাবিশ্বে ১৯তম। যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বাধিক। পাকিস্তানের ১২০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ রয়েছে। শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণ ৪৬ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশের ২৬ বিলিয়ন ডলার।
দেশটির অন্যতম বৃহৎ মোবাইল সেবাদানকারী ভোডাফোনের বর্তমান লোকসান ৫০ হাজার কোটি রুপি, এয়ারটেল ২৩ হাজার কোটি,বিএসএনএল ১৪ হাজার কোটি এমটিএনএল ৭৫৫ কোটি রুপি লোকসানে রয়েছে। সরকারি জ্বালানি কোম্পানি বিপিসিএল ৭৫০ কোটি, সেইল ২৮৬ কোটি, এয়ার ইন্ডিয়া ৪৬০০ কোটি, স্পাইসজেট ৪৬৩ কোটি, ইন্ডিগো ১ হাজার ৬২ কোটি রুপি লোকসানে রয়েছে।
বিএইচইএল ২১৯ কোটি, ভারতীয় ডাকবিভাগ ১৫ হাজার কোটি, জিএমআর ইন্ডিয়া ৫৬১ কোটি, ইয়েস ব্যাংক ৬০০ কোটি, ইউনিয়ন ব্যাংক ১ হাজার ১৯০ কোটি, পিএনবি ব্যাংক ৪ হাজার ৭৫০ কোটি রুপি, অ্যাকসিস ব্যাংক ১১২ কোটি, বন্ধ হয়ে গেছে জেপি গ্রুপ, ভিডিওকন দেউলিয়া, এয়ারসেল ডকোমো দেউলিয়া, বন্ধ হয়ে গেছে জেট এয়ারওয়েজ।
৫টি বিমানবন্দর বিক্রি হয়ে গেছে আদানি গ্রুপের কাছে। রেলওয়ের অনেক রুট বিক্রি হয়ে গেছে। রেডফোর্টসহ বেশ কিছু হেরিটেজ ভাড়া দেয়া হচ্ছে। বহু রাষ্ট্রয়াত ব্যাংক একীভূত হয়ে গেছে। লক্ষাধিক এটিএম বুথ গ্রাহকের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় প্রতিটি ব্যাংকই লোকসানি। ৩৬ জন বিশাল খেলাপি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। অল্প কয়েকজন কর্পোরেট ২.৪ লাখ কোটি রুপি ঋণ গায়েব করে দিয়েছে। সরকারি কোম্পানি বিএসএনএল’এ চাকরি গেছে ৫৪ হাজার কর্মীর। গাড়ি শিল্পে চাকরি যাচ্ছে ১ লাখ কর্মীর। ৩০ প্রধান শহরে বিক্রি হচ্ছে না ১২ লাখ ৭৬ হাজার বাড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *