বিমানযাত্রীদের বাধ্যতামূলক করোনা নেগেটিভ সনদের সিদ্ধান্ত কার্যকর

image_pdfimage_print

আজ থেকে কার্যকর হলো বিদেশ ফেরত সব যাত্রীর করোনা নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত। যাত্রীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও জরুরি ভিত্তিতে সনদ পেতে এবং টিকিট কাটতে হওয়ায় বাড়তি বিমান ভাড়া গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
শনিবার সকাল থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা চারটি ফ্লাইটের সব যাত্রী করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে এসেছে। আগে এই সনদ বাধ্যতামূলক না থাকায় তথ্য গোপন করে করোনা পজিটিভ হয়েও অনেকে দেশে ফিরেছিলেন।
সার্টিফিকেট ছাড়াই শুধু নভেম্বর মাসেই দেশে আসেন প্রায় ৪ হাজার যাত্রী। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সতকর্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ৩০ নভেম্বর সাকুর্লার জারি করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীরা জানিয়েছেন, জরুরি ভিত্তিতে সনদ পেতে তাদের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। একইসঙ্গে বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানারে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকি বাড়ানোর দাবি তাদের।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে কোভিড-১৯। এ ফলে অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও জানুয়ারি থেকেই বিমান ও স্থলবন্দরগুলোতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিদেশ ফেরত যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষাসহ স্ক্রিনিংয়ের পাশাপাশি কারও মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে তাকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়।
এছাড়া, বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে সে সময় হাতে সিল লাগিয়ে দেওয়ারও ব্যবস্থা নেয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। মাঝখানে কিছুদিন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ছিল। এখন আবার কয়েকটি দেশ থেকে আকাশ পথে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে। আবারোও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *