বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

image_pdfimage_print

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি’ শীর্ষক ওয়েবিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আদর্শগতভাবে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অত্যন্ত অবিচল। তিনি সর্বজনীন মূল্যবোধ ও নীতির ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতার এ নীতি উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, তার পররাষ্ট্রনীতি গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি হিসেবে চিহ্নিত, বিশ্বঅঙ্গনে যার রয়েছে নিরপেক্ষতার খ্যাতি এবং উচ্চ নৈতিক অবস্থান।
এ কারণেই অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব দেশের স্বীকৃতি অর্জন করতে পেরেছিল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক ও লেখক সলীল ত্রিপাঠি, কূটনীতিক থমাস এ ডাইন এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিভঙ্গি ও আদর্শ যা ১৯৭৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম বাংলায় ভাষণে প্রতিভাত হয়েছিল, তা অনুসরণ করেই বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে।
সে সময়ের বৈশ্বিক অর্থনীতির অসমতা দূর করতে বঙ্গবন্ধু মানুষের ভ্রাতৃত্ব ও একাত্মতার শক্তির পুনর্জাগরণ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন যা আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের উদাহরণ টেনে তিনি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *