ফ্রান্সে বিচ্ছিন্নতাবাদ ছড়ানোর সন্দেহে ৭৬টি মসজিদে তদন্ত

image_pdfimage_print

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানি বলেন, ‘আমরা খুব শীঘ্রই এই ৭৬টি সন্দেহজনক প্রার্থনালয়গুলোতে তদন্ত শুরু করবো। কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে সাথে সাথে ওই মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হবে।’
দারমানি আরো বলেন , ‘দেশজুড়ে উগ্রবাদ ছড়িয়েছে এমন আশঙ্কা আমরা করছি না। ফ্রান্সে অবস্থিত ২ হাজার ৬০০ মসজিদের মধ্যে মাত্র কয়েকটিকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ফ্রান্সের প্রায় সব মুসলিমই প্রজাতন্ত্রের আইনকে শ্রদ্ধা করেন ও উগ্রবাদ দিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন।’
গত অক্টোবরে শার্লি হেবদোর প্রকাশিত মুহাম্মদ (সা.) ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে শ্রেণীকক্ষে ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা প্যারিসের উপশহরে স্যামুয়েল প্যাটি নামে এক শিক্ষকের শিরশ্চেদ করে চেচনিয়া থেকে আসা এক মুসলিম শরণার্থী। কয়েকদিনের মধ্যেই দেশটির নিচ শহরের একটি গির্জায় হামলা চালিয়ে তিন ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
স্যামুয়েল প্যাটির হত্যার পর ‘চরমপন্থা প্রচার’ চালানোর সন্দেহে দেশটির কয়েকটি ইসলামিক স্পোর্টস গ্রুপ, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার দপ্তরে অভিযান চালায় ফরাসি পুলিশ। প্যাটির বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করে একটি ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে প্যারিসের পাশের একটি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়। উগ্রবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মুসলিম দাতব্য সংস্থা ‘বারাকা সিটি’ এবং সংখ্যালঘুদের ওপর ঘৃণাবাদী অপরাধ পর্যবেক্ষণকারী নাগরিক অধিকার গ্রুপ ‘কালেক্টিভ এগেইনেস্ট ইসলামোফোবিয়া ইন ফ্রান্স’ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চরমপন্থী সন্দেহে ৬৬জন অনিবন্ধিত অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *