প্রয়োজনে পাপুলকে কুয়েত থেকে ফেরত আনা হবে

image_pdfimage_print

কুয়েতে বিচারের মুখোমুখি লক্ষ্মীপুরের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে দেশেও অর্থপাচারের মামলা রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাকে দেশে আনার ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী তেলসমৃদ্ধ কুয়েত বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ। কাজের খোঁজে দেশটিতে পাড়ি জমায় পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ। ভাগ্য গড়তে ঊনিশশো বিরানব্বইয়ে কুয়েতে যান কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ শ্রমিক থেকে গড়ে তোলেন বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য। তবে সেই সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয় বেআইনিভাবে। ডিবিসি টিভি
এরমধ্যেই প্রায় দেড়শ কোটি টাকা অর্থপাচারের দায়ে পাপুল এবং তার স্ত্রী, কন্যা ও শ্যালিকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রয়োজন হলে সংসদ সদস্যকে দেশে আনারও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মো. মোজাম্মেল হক খান কমিশনার (অনুসন্ধান), দুর্নীতি দমন কমিশন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা যদি মনে করেন তাকে আটক করা প্রয়োজন তাহলে সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যাবস্থা নেয়া হবে। মামলার প্রয়োজনে তাকে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দেশে আনা হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশন এর আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আইনী প্রক্রিয়া বিষয়ে বলেন, “পাপুলকে দেশে আনা সম্ভব, তবে কুয়েতে বিচার শেষ হওয়ার আগে নয়। সেক্ষেত্রে দেশে অর্থপাচারের মামলায় তাকে পলাতক দেখিয়ে বিচার চলবে।”
তিনি আরও বলেন, “দুর্নীতি দমন কমিশন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বা ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার কুয়েত সরকার কে তার অবস্থান জানাবে। তখন কুয়েত সরকার যেভাবে রেসপন্স করবে সেইভাবে ওই সময় ওই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
অপকর্মের দায়ে আইনের জালে আটকে পড়া পাপুলের সংসদ সদস্য পদও বাতিল হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *