চীনে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় বিশ্বস্ততা কমছে তাদের দেশীয় ভ্যাকসিনের

image_pdfimage_print

তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ায় চীনা ভ্যাকসিন ব্যবহার করে গণটিকা কার্যক্রম চলছে। এই দুই দেশে কয়েক কোটি মানুষ বেইজিংভিত্তিক সিনোভ্যাকের তৈরি করোনাভ্যাক ষট নেবেন। বুধবার ইন্দোনেশিয়ান প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো প্রকাশ্যে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই শট গ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তায়্যেব এরদোগান জানান, তিনিও শট নিয়েছেন। অবশ্য চীন নিজেই এখনও গণটিকা কার্যক্রম শুরু করেনি।
সারা বিশ্বেই চীনা ভ্যাকসিনটির কার্যকারীতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা মাত্র ৫০.৩৮ শতাংশ। এমন তথ্যই উঠে এসেছে ব্রাজিলে প্রাপ্ত ট্রায়াল ফলে। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেঁধে দেওয়া ৫০ শতাংশ কার্যক্ষমতার বেড়াকে কোনওমতে পার করেছে। অথচ চীন শুরুতে ঘোষণা করেছিলো এই ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা ৭৮ শতাংশ।
এতো কম কার্যক্ষমতা নিয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরণের সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন কয়েকজন বিজ্ঞানী। এদেরই একজন ইয়ানঝং হুয়াং বলেন, ‘অনেক দেশ এই ভ্রাকসিন অর্ডার করার কথা ভাবছে। ফলে এমন হতে পারে, জনগণ এই ভ্যাকসিন নিতে না চাইলেও বাধ্য হবে। এসব ক্ষেত্রে প্রায়শই জনমতকে অবহেলা করা হয়।
অবশ্য চীনের সিনোফার্মের তৈরি ভ্যাকসিনটিকে তুলনামূলক বেশি কার্যকর বলা হচ্ছে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, দুটি ভ্যাকসিনের আরও রিভিউ করা জরুরী। এখনই গণটিকা কার্যক্রম শুরু করায় ভবিষ্যতে তৈরি হতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *