চারজন নভোচারী নিয়ে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন মহাকাশযানটি যাত্রা শুরু করেছিল।

image_pdfimage_print

মহাকাশচারী মাইকেল হপকিনস, ভিক্টর গ্লোবার এবং শ্যানন ওয়াকার এবং জাপানের মহাকাশ সংস্থার একজন নভোচারী সোচি নোগুচি নাসাকে জানান, যাত্রাপথে কয়েক ঘন্টা পরপর ঝাঁকুনির উদ্ভব হয়েছিল। তারা প্রায় ৩০ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে ক্যাপসুলে ছিল।
এতদিন নাসার রকেট দিয়ে মহাকাশে নভোচারী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার নাসার পাশাপাশি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা স্পেস এক্স মহাকাশে মানুষ পাঠিয়ে সেই ইতিহাস গড়ল। তবে এই যাত্রায় স্পেস এক্সকে সহায়তা করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
নাসা জানিয়েছে, স্টেশনের বর্তমান কমান্ডার ক্রিস্টোফার ক্যাসিডি মহাকাশচারীরা পৌঁছানোর পর স্বাগত জানান। স্টেশনে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন তারা। এরপর রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পরীক্ষা কে মহাকাশচারীর সঙ্গে হাত মেলান।
গত ২৭ মে এই মিশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটি এবং বৈরি আবহাওয়ার কারণে পিছিয়ে যায়।
বব বেহনকেন এবং ডগ হারলি এই অভিযানে নতুন ক্যাপসুল সিস্টেমের যেমন ট্রায়াল দেবেন তেমনি নাসার নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকেও বাস্তবায়ন করবেন। তারা সেখানে কয়েক মাস থাকতে পারেন।
এই মিশনে দুই বিজ্ঞানী ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলের সব পার্ট পরীক্ষা করে দেখবেন। নাসার ইতিহাসে এই প্রথম কক্ষপথে থাকা অবস্থায় মহাকাশচারীরা স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন পরীক্ষা করবেন। ড্রাগন ক্যাপসুল অটোমেডেট মহাকাশযান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *