কারা কখন টিকা পাবেন কীভাবে পাবেন

image_pdfimage_print

ভ্যাকসিন পৌছাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সেখান থেকে টিকা সম্প্রসারণ কার্যক্রম ইপিআই স্টোরেজে সংরক্ষণ ও পরে জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত কুল বাক্স করে রাখা হবে। সেখান থেকে প্রতিদিন যাবে নির্ধারিত উপজেলা সেন্টারে। আর সেখান থেকেই টিকা দেওয়া হবে সাধারণ মানুষকে।
করোনার এই ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য দেশের প্রায় ছয় হাজার ৩০০টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ, ২৫০টি জেলা হাসপাতাল, ১০-২০ শয্যার হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, জাতীয় সংসদ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সচিবালয় ক্লিনিক, বন্দর হাসপাতাল, উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, বিশেষায়িত হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদ, সংক্রামক ব্যধি হাসপাতাল, সিটি করপোরেশন হাসপাতাল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের লাইন ডিরেক্টর ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, কোভিড-১৯ রোগীদের সেবায় সরাসরি নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখ সারিতে থাকা কর্মী এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল যেসব রোগী তারা। দ্বিতীয় ধাপে থাকবে বয়স্ক, স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে এমন বয়স্ক মানুষ, শিক্ষাকর্মী, জনপরিবহনের কর্মীরা।
প্রতি মাসে সরকারের তরফ থেকে জানিয়ে দেয়া হবে যে, কোন মাসে কাদের বা কোন শ্রেণী পেশার মানুষ টিকা পাবেন। সেই অনুযায়ী তারা মোবাইল অ্যাপে নিজেদের নিবন্ধন করবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যাদের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা রয়েছে, তাদের সহায়তা করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ও জনপ্রতিনিধিদেরও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *