কারাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে হাজতির আত্মহত্যা

image_pdfimage_print

জেলার কেন্দ্রীয় কারগারে নিজ বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা মামলার আসামি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মৃত হানিফ খলিফা (৪০) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধুখালী এলাকার আলী মোহাম্মদ খলিফার ছেলে হলেও তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌহুতপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর এয়ারপোর্ট থানায় হানিফ খলিফার স্ত্রী নিজ বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। যে মামলায় গত ১ অক্টোর থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে আছেন হানিফ হাওলাদার।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, ডিএনএ টেস্টের জন্য হানিফ কারাগারের বাইরে গিয়েছিলেন কয়েকদিন আগে। এরপর তিনি কারাগারে এলে তাকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।
শনিবার (১৪ নভেম্বর) ভোর ৩টার দিকে তিনি জানতে পারেন হানিফ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, হানিফ মশারি ছিড়ে তা দিয়ে রশি বানিয়ে শৌচাগারের পানির পাইপ লাইনের সঙ্গে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
শনিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।ার কেন্দ্রীয় কারগারে নিজ বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা মামলার আসামি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মৃত হানিফ খলিফা (৪০) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধুখালী এলাকার আলী মোহাম্মদ খলিফার ছেলে হলেও তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌহুতপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *