ইউরোপ ছাড়া অন্য সব দেশের জন্য ফ্রান্সের সীমান্ত বন্ধ হচ্ছে রোববার থেকে

image_pdfimage_print

তৃতীয় দফা লকডাউন না দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের অন্যসব দেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিচ্ছে ফ্রান্স যাতে কোভিডের সংক্রমণ হ্রাস পায়। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাঁ ক্যাসটেক্স এ ঘোষণা দেন।
ইউরোপের যেসব দেশ থেকে মানুষ ফ্রান্সে প্রবেশ করতে চাইছেন তাদের সবার পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রতিদিনের যাত্রীরা।
ব্রিটিশ পরিবহনমন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপস জানিয়েছেন ফ্রান্সের এই নিষেধাজ্ঞা হলারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাণিজ্য অব্যাহত রাখতেই এ ব্যবস্থা। তবে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বড় বড় শপিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। বিদেশ থেকে ফ্রান্সে সব সফরে বিধিনিষেধ থাকবে।
কোভিড নিয়ন্ত্রণে ফ্রান্সে ১২ ঘন্টার কারফিউ চলছে। তারপরও গোপনে পার্টি হচ্ছে। কোথাও খোলা রাখা হয়েছে রেস্তোরাঁ। মানুষকে জবাবদিহিতায় আনতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাসটেক্স বলেছেন, আমরা লকডাউনের ভয়াবহ ক্ষতিকর পরিণতি সম্পর্কে জানি। কয়েক দিনের যে ডাটা আমাদের হাতে এসেছে, তাতে এখনও আমরা আরেকটি লকডাউন থেকে রক্ষা পেতে এধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি। আরো কঠিন সময় আসছে।
ফ্রান্সের মহামারি বিষয়ক শীর্ষ বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা বলেছেন, নতুন ধরনের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ফেব্রুয়ারি নাগাদ ফ্রান্সে তৃতীয় দফা লকডাউন দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
ফ্রান্সে সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু বেড়ে গেছে। দেশটির আইসিইউ বেডের শতকরা ৬০ ভাগ এখন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর দখলে। কোভিডে মারা গেছেন কমপক্ষে ৭৫ হাজার মানুষ। ভাইরাসে মৃত্যুর দিক থেকে ফ্রান্স সারাবিশ্বে সপ্তম।
ফাইজার এবং মডার্নার টিকা সরবরাহে জটিলতায় ফ্রান্সে টিকাদান কর্মসূচি ধীর গতি চলছে। দেশটিতে টিকা দেয়া হয়েছে ১৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *